Subscribe Us

header ads

১২ই রবিউল আউয়াল বা ঈদে মিলাদুন্নবীতে সিন্নি খাবো না রোযা রাখব?

ঈদে মিলাদুন্নবীতে সিন্নি খাওয়া সুন্নত নাকি রোযা রাখা সুন্নত? 

এটিও পড়ুন: শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদে মীলাদুন্নবী উদযাপন বৈধ নাকি অবৈধ? 

মানব সৃষ্টির শুরুতেই মুহাম্মদ (সা.) এর সম্মান ও মর্যাদার কথা লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়েছিল আল্লাহ্তাআলার নিকটে হযরত ইরবাদ ইবনে সারিয়া (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কে বলতে শুনেছি তিনি ইরশাদ করেছেন:- 

إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ فِي أُمِّ الْكِتَابِ لَخَاتَمُ النَّبِيِّينَ وَإِنَّ آدَمَ لَمُنْجَدِلٌ فِي طِينَتِهِ وَسَأُنَبِّئُكُمْ بِتَأْوِيلِ ذَلِكَ دَعْوَةِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ وَبِشَارَةِ عِيسَى قَوْمَهُ وَرُؤْيَا أُمِّي الَّتِي رَأَتْ أَنَّهُ خَرَجَ مِنْهَا نُورٌ أَضَاءَتْ لَهُ قُصُورُ الشَّامِ وَكَذَلِكَ تَرَى أُمَّهَاتُ النَّبِيِّينَ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ.( مسند الإمام أحمد بن حنبل،حديث العرباض بن سارية عن النبي صلى الله عليه و سلم، الرقم: 17203 مؤسسة قرطبةالقاهرة)

অর্থ: আদম (.) যখন মাটি/কাদার মধ্যে লুটিয়ে ছিলেন (তাঁর দেহে রূহ প্রদান করা হয়নি) তখনই আমি আল্লাহ্তাআলার নিকটে উম্মুল কিতাবে শেষ নবী হিসাবে লিপিবদ্ধ ছিলাম।  আমি তোমাদেরকে এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে অবগত করব। আর তা হল, আমার পিতা হযরত ইবরাহীম (.) এর দোয়া, হযরত ঈসা (.) এর সুসংবাদ তাঁর কওমের প্রতি এবং আমার মায়ের দর্শন। (তিনি যখন আমাকে জন্মদান করেন) তখন তিনি দেখতে পান যে, তাঁর ভিতর থেকে একটি নূর বের হলো যার আলোয় তাঁর জন্য সিরিয়ার প্রাসাদগুলো আলোকিত হয়ে গেল।(মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ১৭২০৩)   

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর নবুয়ত লাভের ব্যাপারে আরেকটি হাদীসে হযরত আবূ হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, সাহাবীগণ জিজ্ঞাসা করলেন:-

يَا رَسُولَ اللَّهِ مَتَى وَجَبَتْ لَكَ النُّبُوَّةُ قَالَ وَآدَمُ بَيْنَ الرُّوحِ وَالْجَسَدِ.(سنن الترمذي،  باب في فضل النبي صلى الله عليه و سلم، الرقم: 3609 دار إحياء التراث العربيبيروت)

অর্থ: হে আল্লাহর রাসূল (সা.) কখন আপনার জন্য নবুয়ত অবধারিত হয়? তিনি বলেন, যখন আদম (.) দেহ ও রূহের মাঝে ছিলেন তখন।(সুনানে তিরমিযী, হাদীস: ৩৬০৯)  

উক্ত হাদীসদ্বয়ের মাধ্যমে জানা গেল যে, আল্লাহ্তাআলা রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কে সমস্ত নবী-রাসূল (সা.) এর জন্মের আগেই নবুয়ত ও রিসালাতের মর্যাদা দান করেছেন। তাঁর আগমনের সুসংবাদ বিভিন্ন আসমানী কিতাবের মধ্যে অন্যান্য নবী-রাসূলদের মাধ্যমে দিয়ে দিয়েছেন। সবাই অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন কবে আসবেন সেই মহা মনীষী? মানবতার অপেক্ষার পালা শেষ হয়ে গেল। মহান আল্লাহ্তাআলার  প্রিয় দোস্ত, আমাদের হেদায়েতের মুক্তির কান্ডারি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মানব আগমনের সময় হয়ে গেল। হযরত ইবরাহীম (.) এর দু’আর বাস্তবায়নে তারই পুত্র নবী হযরত ইসমাঈল (.) এর বংশে, আরবের সর্বশ্রেষ্ট কুরাইশ বংশে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) জন্মগ্রহণ করেন।   

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর জন্মকাল 

সহীহ হাদীসের আলোকে জানা যায় যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) সোমবার দিন জন্মগ্রহণ করেন। হযরত আবু কাতাদা (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্ললাহ্‌ (সা.) কে সোমবার দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জবাবে বলেন:-

ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيهِ وَيَوْمٌ بُعِثْتُ أَوْ أُنْزِلَ عَلَىَّ فِيهِ.(صحيح مسلم، باب استحباب ثلاثة أيام من كل شهر وصوم يوم عرفة وعاشوراء والاثنين والخميس، الرقم: 1162دار إحياء التراث العربيبيروت)

অর্থ: এই দিনেই আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনেই আমাকে নবুয়ত প্রদান করা হয়েছে।(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১১৬২)

অন্য আরেকটি হাদীসে ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন:-

وُلِدَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَاسْتُنْبِئَ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَتُوُفِّيَ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَخَرَجَ مُهَاجِرًا مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَقَدِمَ الْمَدِينَةَ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ وَرَفَعَ الْحَجَرَ الْأَسْوَدَ يَوْمَ الِاثْنَيْنِ.( مسند الإمام أحمد بن حنبل، الرقم: 2376/ 2506)

অর্থ: রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) সোমবারের দিন জন্মগ্রহণ করেন, সোমবারের দিন নবুয়ত লাভ করেন, সোমবারের দিন ইন্তেকাল করেন, সোমবারের দিন মক্কা থেকে হিজরত করে মদীনার দিকে রওনা করেন, সোমবারের দিন মদীনায় পৌঁছায় এবং সোমবারের দিন তিনি হযরে আসওয়াদকে উত্তোলন করেন।(মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ২৩৭৬/২৫০৬)

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কোন সালে জন্মগ্রহণ করেন? 

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কোন সালে জন্মগ্রহণ করেন এব্যাপারে হযরত কায়েস ইবনে মাখরামা (রা.) বলেন:-

وُلِدْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيلِ وَسَأَلَ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ قُبَاثَ بْنَ أَشْيَمَ أَخَا بَنِي يَعْمَرَ بْنِ لَيْثٍ أَأَنْتَ أَكْبَرُ أَمْ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَكْبَرُ مِنِّي وَأَنَا أَقْدَمُ مِنْهُ فِي الْمِيلَادِ وُلِدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَامَ الْفِيلِ.(سنن الترمذي،  باب ما جاء في ميلاد النبي صلى الله عليه و سلم، الرقم: 3619 دار إحياء التراث العربيبيروت)

অর্থ: আমি ও রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) হাতির বছরে জন্ম জন্মগ্রহণ করেছি। উসমান ইবনে আফফান কুবাস ইবনে আশইয়াম কে জিজ্ঞাসা করেন, আপনি বড় নাকি রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.)? তিনি জবাবে বলেন রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) আমার চেয়ে বড় তবে আমি তাঁর পূর্বে জন্মগ্রহণ করেছি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) হাতির বছরে জন্মগ্রহণ করেন। বি. দ্র. হাতির বছর মানে, যে বছরে আবরাহা বাদশা হাতি নিয়ে মক্কা শরীফ ধ্বংস করার জন্য আক্রমণ করেছিল। ঐতিহাসিকদের মতে সেই বছরটি ছিল ৫৭০ বা ৫৭১ খ্রিষ্টাব্দ।

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) কোন মাসের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন এব্যাপারে স্পষ্ট কোন সহীহ হাদীস বা সাহাবায়ে কেরামদের মাঝে ঐক্যমত কোন বানী বা আছার পাওয়া যায়না। এজন্যই পরবর্তি উলামায়ে কেরাম ও ঐতিহাসিকগণ রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর জন্ম তারিখ নিয়ে বিভিন্ন মতামত পেশ করেছেন। সীরাতে ইবনে হিশাম, ইবনে সা’দ, ইবনে কাসীর সহ অন্যান্য ঐতিহাসিকগণ এই ব্যাপারে প্রায় ১২ টিরও বেশি মতামত উল্লেখ করে লিপিবদ্ধ করেছেন। 

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর কোন মাসে জন্ম এব্যাপারে বেশ কয়েকটি মত পাওয়া যায়। যথা:-  

  • 1.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) মুহাররম মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন। 
  • 2.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) সফর মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 3.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়াল মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 4.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবউস সানী মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 5.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রজব মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 6.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রমযান মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর কয় তারিখে জন্ম এব্যাপারে তো মতনৈক্য আছেই এমনকি যারা রবিউল আউয়াল মাসকে প্রাধান্য দিয়েছেন তারাও এই মাসেরই বেশ কয়েকটি তারিখ উল্লেখ করেছেন যথা:-

  • 1.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়ালের ২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 2.    কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়ালের ৮ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 3.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়ালের ১০ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন 
  • 4.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়ালের ১২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 5.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়ালের ১৭ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন
  • 6.   কেউ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) রবিউল আউয়ালের ২২ তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন বি. দ্র. প্রত্যেক মতের স্বপক্ষেই কোন না কোন সাহাবী বা তাবেয়ীদের বর্ণনা পাওয়া যায়

উক্ত আলোচনা থেক স্পষ্টভাবে জানা গেল যে, রাসূলুল্লাহ্‌ হাতির বছরের কোন এক সোমবার দিন জন্মগ্রহণ করেছেন। তবে উক্ত সোমবার দিনটি কোন মাসের কত তারিখ সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোন মত পাওয়া যায়নি।

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর জন্মের কয়েক মাস পূর্বেই তাঁর পিতা ইন্তেকাল করেন। তাঁর জন্মের পর তাঁর মাতা নাম রাখেন আহমাদ আর তাঁর দাদা নাম রাখেন মুহাম্মদ। রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর জন্ম অবশ্যই উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য মহা আনন্দ ও খুশির বিষয়। আর এই আনন্দ প্রকাশ যদি রাসুলুল্লাহ্‌ (সা.) ও তাঁর সাহাবীদের সুন্নত অনুযায়ী হয় তাহলে এর মাধ্যমে অনেক সওয়াবের অধিকারী হওয়া যাবে। পক্ষান্তরে আমাদের এই আনন্দ প্রকাশ যদি রাসূল (সা.) ও সাহাবীদের সুন্নতের ব্যতিক্রম হয় এবং বিদআতীদের আমলের সাথে আমাদের আমল মিলে যায় তাহলে আমাদের সমস্ত কষ্ট বৃথা যাবে এবং সওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ অর্জন হবে। তাই প্রচলিত বিদআতী মীলাদুন্নদীর অনুষ্ঠান পরিত্যাগ করে রাসূলের মীলাদ হিসাবে তাঁর আমল কি ছিল? সাহাবীগণ কি আমল করতেন? সে অনুযায়ী আমল করতে হবে।    

রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর জন্মদিন উপলক্ষে তিনি কি আমল করতেন?  

হযরত আবু কাতাদা (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্ললাহ্‌ (সা.) কে সোমবার দিন রোযা রাখা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জবাবে বলেন:-

ذَاكَ يَوْمٌ وُلِدْتُ فِيهِ وَيَوْمٌ بُعِثْتُ أَوْ أُنْزِلَ عَلَىَّ فِيهِ.(صحيح مسلم، باب استحباب ثلاثة أيام من كل شهر وصوم يوم عرفة وعاشوراء والاثنين والخميس، الرقم: 1162دار إحياء التراث العربيبيروت)

অর্থ: এই দিনেই আমি জন্মগ্রহণ করেছি এবং এই দিনেই আমাকে নবুয়ত প্রদান করা হয়েছে।(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১১৬২)

তাহলে বুঝা গেল রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) তাঁর জন্মদিন হিসেবে শুধু বছরে একবার বা একদিন রোজা রাখেননি বরং তাঁর জন্মের শুকরিয়া আদায় করার জন্য প্রত্যেক সোমবার রোজা রাখতেন। সুতরাং আমরাও যদি রাসূলের মীলাদে আনন্দ প্রকাশ করতে চাই তাহলে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর সুন্নাত মোতাবেক আমাদেরও প্রত্যক সোমবারে রোজা রাখা উচিৎ। কিন্তু বর্তমানে মীলাদের খুশি প্রকাশ করা হয় রোজা রাখার পরিবর্তে মীলাদুন্নদী নামে ভোজ সভার আয়োজন করা হয় যা পরিপূর্ণ সুন্নতের বহির্ভূত আমল তাই এই কাজ থেকে বিরত থাকা অপরিহার্য।  

এছাড়াও আমরা রাসূলের প্রতি বেশি বেশি দুরূদ পাঠ করতে পারি কেননা দুরুদ পাঠের অনেক ফজীলত আছে। যথা:-  

  • 1.    আল্লাহ্‌ তাআলা দুরূদ পাঠকারীর ১০ টি গুনাহ মাফ করেন।
  • 2.    আল্লাহ্‌ তাআলা দুরূদ পাঠকারীকে ১০ টি সওয়াব দান করেন।
  • 3.    আল্লাহ্‌ তাআলা দুরূদ পাঠকারীর ১০ টি মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
  • 4.    আল্লাহ্‌ তাআলা দুরূদ পাঠকারীকে ১০ টি রহমত দান করেন। 
  • 5.    ফিরিশতাগণ তাঁর জন্য দুআ করতে থাকে।
  • 6.    ফিরিশতাগণ তাঁর নাম ও তাঁর পিতার নাম নিয়ে তাঁর পঠিত দুরূদ রাসূলের দরবারে পৌঁছিয়ে দেয়।
  • 7.    রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) নিজে দুরূদ পাঠকারীর জন্য ১০ বার দুআ করেন।
  • 8.    কিয়ামতের দিন দুরূদ পাঠকারী রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর শুপারিশ লাভ করবে।

সুতরাং আল্লাহ্‌ তাআলা আমাদেরকে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) এর মীলাদে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা.) এর সুন্নত অনুযায়ী আমল করে এবং সমস্ত বিদআতী আমলকে বর্জন করে রাসূলের সুন্নত অনুযায়ী জীবনকে পরিচালনা করার তৌফীক দান করুন। আমীন!  


والله سبحانه وتعالى أعلم

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য